বেসলেস রিলিজিওন!

ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুরই অন্তরে আর সেই শিশু পিতা হলেই ধরা হই সে বড় হয়েছে ।আর বড় হলেই দাদাগিরি করার একটা বোনাস পয়েন্ট যুক্ত হয় সেই মানুষটির সাথে। 'নট লাইক দ্যাট। না বাবা এটা ওরকম ভাবে নয় এই রকম ভাবে।'  অথচ
ছোট বেলায় সেই মানুষটিও ওই কাজটা করেছিল সেই ভুল ভাবেইকিন্তু এখন বড় হয়ে ছোটদের সেই ভুল দেখতে  পেলেই শোধরানোর না ভেবে  মনে করেন, “ থাবড়ানো দরকার ।”
আলটিমেটলি মানুষ চেঞ্জ হয় ।চেঞ্জ টুওয়ার্ড়স ফাইনাল ডেস্টিনেশান । ডেসটিনি কিংবা ডিভাইনিটি অনেকেই
মানেন না। আর মানেন না বলেই যা ইচ্ছে তাই করেন । করতেও বলেন । লাইফ ইজ নট লাইক দ্যাট
হোয়াট ইউ হ্যাফ থিঙ্ক অফ । ডু ইউ আন্ডাস্ট্যান্ড ?  বুঝলি। খাও দাও মস্তি করো।'

দুনিয়াটা মস্ত বড়।অথচ তারপরেও এই মস্ত বড় দুনিয়ায় কাউকে কাউকে আবার খুঁজে পাওয়া যায় ঠিক
একই লোকাল ট্রেনে । একই স্টেশনে । যারা ভাগ্যে বিশ্বাস করেন তারা বলেন,
'ও মা ! ভাগ্যে ছিল তাই ।' আর যারা ডেসটিনিতে বিশ্বাস রাখেন না,

'কোইনসিডেন্টিলি, বুজলিতো কাকতলীয় যাকে বলে ।'
ওহো কাকাতলীয় বলতেই একটা
ঘটনা মনে হল । দিন কাল যা পড়ছে ধর্ম আর ধর্মগ্রন্থ তো যাদুঘরের সাজিয়ে
রাখার মত  স্পেসিস হয়ে দাঁড়াচ্ছে । তাই আর যা ই হোক মসজিদ মুখো না হোলে আর ধর্মের কথা বের হয় না ।তো এমনই এক পরিস্থিতিতে
বন্ধুকে বললাম সূরা আম্বিয়ার কথা । বন্ধুটি এথেস্টি কিংবা থেয়িস্ট
কিচ্ছুনা । ও হল গিয়ে আপনার অ্যাগনষ্ট । যারা সৃষ্টি কর্তা আছেন কি না
নেই সেই ব্যাপারে কোনো কথা ই বলেন না । তো সেই বন্ধুকে সূরা অ্যাম্বিয়ার
৩০ নম্বর  আয়াতের কথা বললাম । যে গুলোতে বিগ ব্যাং থিয়োরির কথা উল্লে আছে ।
'বুলিতো উমুক, আজ থেকে চৌদ্দশো বছর আগেই কোরআনে বিগ ব্যাং থিওরির ব্যাপারে বলা আছে ।' আমি কথা গুলো যতটা বুক ফুলিয়ে বললাম বন্ধু

তার থেকে আরো বেশি মুখ গম্ভীর করে বলল, 'হয়তো কাকতলীয় ভাবে মিলে গেছে ।'
বোঝো ঠ্যালা ! মিললে কাকতলীয় আর না মিললে,
-' ধ্যাত তোদের বেসলে রিলিজিওন
! আমার একদম ভালো লাগে না । শুধু নামায পড়ো আর জান্নাত যাও । আর কিছু

লেখা আছে কি কোরআনে?'
-'হ্যা আছে আছে । আর হ্যা কোরআনে যতবার না আখেরাতের
কথা বলা হয়েছে তার থেকে বেশি দুনিয়ার...'

-'ভাই রাখ তোর ধর্ম, আই হ্যাভ টু
টক উইথ মাই জিএফ নাও...'