একদিন গোলাপি একটা শাড়ি দেখে, তোমাকে বেশ মনে পড়েছে ওয়ানসিয়ানা। তোমার ফুলকো লুচির মতো ঘিয়ে-রঙের শরীরে এ শাড়ি কেমন মানাবে আমি কি আর জানি, বলো? তবু তোমাকে ছাড়া আর কাউকে মনে পড়ে না একদম।
রোদের সাথে কি মেশালে জন্ম নেবে চোখ ধাঁধানো সুপারনোভা, আমি জানি না। শুধু জানি তোমার চোখের দিকে তাকিয়ে থাকতে পারি না এক মুহূর্ত। চোখ যেন ঝলসে যায়, চোখে এসে বসে যেন শত সূর্যের আলোকচ্ছটা।
সেবার মালবাজারে, হটাৎ। অন্য অবতারে তুমি, ওয়ানসিয়ানা। আমি চমকে উঠেছি বেশ। তুমিই না, সেই মেয়ে? যাকে পাওয়ার জন্য এগারো হাজার বছর কেঁদে কেটে ঘুরেছি ফিরেছি আমি। তুমিও তাই। কেঁদেছ। ফিরেছ।
আমার ঘাড়ের কাছে যে তিল আছে, তার তর্জমা করতে বস তুমি। আমিও খুঁজি তোমার বুকের তিলে নিজের আয়ু। অথচ, হটাৎ ফারাক্কায় টারবাইনে তুমি ঘুরছ। আমি অবাক, চমকে গেছি।
তোমার আঁচলে, ওয়ানসিয়ানা, আমাদের পোয়াতি গল্পরা বার্ধক্য পোহায়। অথচ, স্কুলছুট মিচকে হওয়ায় হটাৎ, তোমাকে দেখে ভয় পেয়েছি।
তুমিই না সে প্রথম শিশির, চুড়িদার কেনার টাকা সরিয়ে স্বপ্ন জমাও? হাতের রেখার গ্রহের ক্রসে তোমায় দেখে হটাৎ চমকে গেছি, ওয়ানসিয়ানা।